Gender Change: বিবাহ বিচ্ছিন্ন স্ত্রীর কাছ থেকে কন্যাদের নিজের হেফাজতে পেতে লিঙ্গ পরিবর্তন বাবার! যুক্তি কী দিলেন?

ডিভোর্সের মামলায় সন্তানরা কার কাছে থাকবেন? এই ছিল প্রশ্ন। বাবার দায়িত্বে নাকি মায়ের দায়িত্বে! এদিকে, ডিভোর্সের পর যাতে তাঁর মেয়েরা তাঁর কাছেই থাকতে পারেন তাই নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করে মহিলা হয়ে গেলেন রেনে সালিনাস রামোস। এই ঘটনা ইকুয়েডরের। রেনের দাবি, তাঁর দেশ মহিলাদের সমর্থনেই আইনের পথে হাঁটে। ফলে যাতে তাঁর কন্যাদের দায়িত্ব ডিভোর্সের পরও তাঁরই কাছে থাকে, তাই লিঙ্গ পরিবর্তন করে নিজের দাবির পক্ষে জোরালো বার্তা দিলেন রেনে।

নিজের কন্যাদের হেফাজত যাতে জীবনভর তাঁর কাছে থাকে, তার জন্য ৪৭ বছর বয়সী রেনে বলছেন, এখন ‘আমি মা’। ফলে তাঁর আশা বিচারক তাঁর দিক থেকে মুখ ফেরাতে পারবেন না। উল্লেখ্য, রেনের ২ কন্যা তাঁদের মায়ের সঙ্গে থাকেন। তবে বাবা হিসাবে রেনে চান তাঁর কাছেই থাকুন কন্যারা। উল্লেখ্য, বাবা হোক বা মা অপত্য স্নেহ যে লিঙ্গ পরিবর্তনের পরও একই থাকে, তা বোঝাতে পিছপা হননি রেনে। ইকুয়েডরের এক নিউজ চ্যানেলকে রেনে বলছেন, ইকুইডরের সরকার চিরকালই মহিলাদের পক্ষে রায় দেয়। সেই নিরিখে তিনি আইনতভাবে নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন, আর তা করেছেন। ইকুয়েডরের সরকারি খাতায় তাঁর লিঙ্গ এখন ‘ফেমিননো’ (স্থানীয় ভাষায় স্ত্রী লিঙ্গ)।

রেনের অভিযোগ, তাঁর কন্যারা মায়ের সঙ্গে এক খারাপ পরিস্থিতিতে থাকেন। তাঁরা দিনরাত ভর্ৎসনার মুখে পড়ে যান। রেনের অভিযোগ তাঁর সঙ্গে মেয়েদের দেখা করতে দেন না তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী। ফলে গত ৫ বছরে  মেয়েদের সঙ্গে রেনে দেখা করতে পারেননি। আর তা থেকেই মনে জন্মেছে ক্ষোভ। সেই নিরিখেই নিজের লিঙ্গ বদলে ফেলেন এই ইকুয়েডরের ব্যক্তি।রেনে বলছেন, ‘আইন বলছে হেফাজতের অধিকার শুধুমাত্র রয়েছে মহিলাদের। আর এখ আমি মহিলা। আর আমি এখন মা-ও। সেভাবেই আমি নিজেকে দেখি। ‘

 

 

 

 

 

Source link

Read also  কাগজের নোট থেকেও বাপুর ছবি সরিয়ে দিন, কেন এই মন্তব্য করলেন গান্ধীর বংশধর?