Bilkis Bano Case Hearing in Supreme Court: বিলকিস বানো মামলা থেকে নিজেকে সরালেন সুপ্রিম বিচারপতি, শীঘ্রই হবে শুনানি

বিলকিস বানোর ধর্ষকদের মুক্তি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী। আজ মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে উত্থাপি হলে তিনি সরে দাঁড়ান। বেঞ্চে বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী ছাড়াও ছিলেন বিচারপতি অজয় রস্তোগী। এখন নতুন করে বেঞ্চ গঠন হয়ে এই মামলার শুনানি হবে। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, পরবর্তী তারিখে প্রথমেই এই মামলাটি শোনা হবে। প্রসঙ্গত, বিলকিস বানোর গণধর্ষকদের গত ১৫ অগস্ট মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে বিতর্ক চরমে। সিপিএম পলিটব্যুরোর সদস্য সুভাষিণী আলি, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং অন্য একজন আদালতে এই ১১ জনের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালের মার্চ মাসে দাহোদ জেলায় লিমখেড়া তালুকায় রাধিকাপুর গ্রামে একদল দুষ্কৃতী বিলকিস বানোর পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছিল। গণধর্ষণ করা হয় বিলকিসকে৷ তাঁর পরিবারের ৭ জন সদস্যকে খুন করা হয়। পরিবারের অন্য ৬ জন সদস্য পালিয়ে যেতে পেরেছিলেন। পরে ২০০৪ সালে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। মুম্বইয়ে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত ২০০৮ সালের ২১ জানুয়ারি ১১ ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেছিল। পরবর্তীকালে সেই সাজার মেয়াদ বহাল রেখেছিল বম্বে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট।

তবে গতবছর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্য সরকার পঞ্চমহলের কালেক্টর সুজল মায়াত্রার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দোষীদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখে। সর্বসম্মতিক্রমে কারাবাসের সময় হ্রাসের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় কমিটিতে। সেই মতো স্বাধীনতা দিবসের দিন দোষীদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সাজাপ্রাপ্তদের আগাম মুক্তি দেওয়ার পর প্রকাশ্যে তাদের মালা পরানো হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিল সংবর্ধনা। মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করে বিলকিস দাবি করেছিলেন, শীর্ষ আদালতের নিয়ম লঙ্ঘন করে ওই ১১ জন ধর্ষককে ছেড়ে দিয়েছে গুজরাট সরকার। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। অবশ্য সুভাষিণী আলি, মহুয়া মৈত্রদের মামলা গ্রহণ করে শীর্ষ আদালত।

Read also  Covid To Grip The World, Kill Millions In Next 90 Days, Says Epidemiologist

Source link