পেলে নাম ধরে চিনতেন এই ব্যক্তিকে! কিংবদন্তির মৃত্যুতে শোকের ছায়া দত্ত বাড়িতে

#হুগলি: রিষড়ার বাসিন্দা শতদ্রু দত্ত পেশায় একজন ইভেন্ট ম্যানেজার। ফুটবল জগতের তারকাদের ভারতে নিয়ে আসার প্রায়শই দায়িত্ব থাকে তাঁর উপরে। কলকাতায় দুবার পেলেকে নিয়ে আসার দায়িত্ব ছিল তাঁর।

শেষবার যখন পেলে ইডেন গার্ডেনে এসেছিলেন, সেই বছরও তাঁর সঙ্গে ছিলেন হুগলির রিষড়ার বাসিন্দা শতদ্রু দত্ত । ফুটবল সম্রাট পেলের মৃত্যুতে শোকের বাতাবরণ তাঁর বাড়িতেও। পেলের সঙ্গে কাটানো কিছু মুহূর্তের কথা তুলে ধরলেন তিনি।

পেলেকে কলকাতায় নিয়ে আসার জন্য সাও পাওলোতে তাঁর বাড়িতে আমন্ত্রণ অব্দি করতে গিয়েছিলেন তিনি। ১৯৭৭ সালে প্রথমবারের মতো কলকাতায় পা রেখে পেলে বলেছিলেন, ‘মেনি পিপল’।

আরও পড়ুন- জাভিকে বলেছিলেন, ‘ও তো কাতারে খেলে!’ সেই রোনাল্ডো নিজেই এবার আরবে

তার পর আবার ৩৮ বছর পর ২০১৫ সালের ১১ই অক্টোবর ফের কলকাতায় পা রাখার আগে কলকাতার নাম শুনে মনে পড়েছিল সেই ‘মেনি পিপল’ এর কথা। ফুটবল সম্রাট পেলের প্রয়াণে নানা স্মৃতি মনে পড়লো রিষড়া বাঙ্গুর পার্কে বাসিন্দা শতদ্রু দত্তের।

২০১৫ সালে যখন দ্বিতীয়বারের মতো কলকাতায় এসেছিলেন পেলে, সেই সময় তাঁকে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছিলেন শতদ্রু দত্ত। তিনি যখন প্রথমবার সাও পাওলোতে পেলের বাড়ি যান তাঁকে আমন্ত্রণ জানাতে, তখন তিনি শুধু কলকাতা বলাতেই তাঁর মনে পড়ে যায় কলকাতা বিমানবন্দরে হাজারও পেলে ভক্তের ভিড়ের কথা।

২০১৫ সালে যখন এসেছিলেন তখন কোমরের সমস্যার জন্য কিছুটা হাঁটতে সমস্যা হত। তিনদিনের সফরে সারাদিন তিনি শতদ্রুর কাঁধে হাতে দিয়ে কিছুটা হাঁটাচলা করেছিলেন। আজ সেই হাতের অভাবের কথা মনে পড়ে যায় তাঁর। ফুটবল সম্রাটের সঙ্গে কাটানো বেশ কিছু মুহূর্তের কথা তিনি তুলে ধরেন দর্শকদের সামনে।

আরও পড়ুন- ‘পেলে’, নামটা ছিল একদম অপছন্দের! এডসন ছেড়ে অপভ্রংশ নামেই কেন বিখ্যাত ফুটবল সম্রাট?

পেলে যখন কলকাতায় আসেন তখন তাঁকে উপহার দেওয়া হয় পেলের আকৃতির একটি সন্দেশ। যা দেখে পেলে বলেছিলেন ‘পেলে ইটিং পেলে’। এতসব কাহিনী এত সব গল্প যে মানুষটিকে নিয়ে সেই মানুষটি আজ আর নেই। ফুটবল জগতের কিংবদন্তি তারকা না ফেরার দেশে। রিষড়ার বাড়িতে বসে স্মৃতিচারণ করতে করতে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেন শতদ্রু দত্ত।Rahi Haldar

Tags: Pele, Rishra

Source link