Republic day speech in Bengali: স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে কিছু বলতে হবে? এই লেখায় চোখ বোলালেই চলবে

আমাদের সকলের জীবনেই বছরের বেশ কিছু তারিখ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তেমনই একটি তারিখ হল ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস। নেতাজি জন্মজয়ন্তীর পরপরই এই দিনটিকে ঘিরে আমাদের সকলের দেশাত্মবোধ উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যেক ভারতীয়দের মনেই তাই এই দিনটির অসীম তাৎপর্য। দেশের নানা প্রান্তে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আর কুচকাওয়াজের মাধ্যমে পালিত হয় দিনটি। দেশের মিশ্র সংস্কৃতি ও তার বিশাল ঐতিহ্যের ছবি ফুটে ওঠে প্রতি রাজ্যে, জেলায়, শহরে, গ্ৰামে। শুধু রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রেই দিনটি পালন করা হয় তা নয়। কলকিতা, মুম্বাই, চেন্নাই সহ দেশের সব শহর ও গ্ৰামের মানুষরা এই দিনটিতে এক জায়গায় মিলিত হন। তেরঙা পতাকার নিচে জড়ো হয়ে দেশের গণতন্ত্রকে শ্রদ্ধা জানান।

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী ২৬ জানুয়ারিকে নাম দিয়েছিলে ‘স্বতন্ত্রতা সংকল্প দিবস’। পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে ১৯২৯ সালের শেষদিকে পূর্ণ স্বরাজ আনার শপথ নেওয়া হয়েছিল। এরপরই ১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি ওই দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস বলে ঘোষণা করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত এটি কার্যকর হয়নি। ১৯৪৭ সালে দুশো বছরের পরাধীনতা ঘুচিয়ে ভারত যখন ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা অর্জন করে। ১৫ অগাস্টই

স্বাধীনতা দিবসের মর্যাদা পায়।

এর ফলে ২৬ জানুয়ারি তারিখের তাৎপর্যে বদল আসে। স্বাধীনতা অর্জন ১৯৪৭ সালে হলেও তখনও সংবিধান তৈরি হয়নি। প্রায় আড়াই বছর পর তৈরি হল পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম সংবিধান, ভারতের সংবিধান। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি কার্যকর করা হল দেশের সংবিধান। সেই থেকেই ২৬ জানুয়ারিকে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

২৬ জানুয়ারি মানেই ভারতের রাজধানী দিল্লির রাজপথে কুচকাওয়াজ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এর পাশাপাশি কলকাতার রেড রোডেও সেই আয়োজন ও আড়ম্বর চোখে পড়ে। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন সন্ধ্যায় অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ভারতের রাষ্ট্রপতি।

বিভিন্ন বিদেশের অতিথি অভ্যাগতরা প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত থাকেন। প্রতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে কলকাতার রেড রোড চত্বরে ভিড় জমান অসংখ্য মানুষ।

Read also  অন্যান্যদের থেকে মশা আপনাকেই বেশি কামড়াচ্ছে! রহস্য লুকিয়ে আপনার ব্লাড গ্রুপে

দেশের জন্য প্রাণপণ লড়াইয়ে থাকা স্বাধীনতা সংগ্ৰামীদের এই দিনটিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। একের পর এক বীর সংগ্ৰামীদের আত্মাবলিদানকে স্মরণ করা হয়। ২৬ জানুয়ারি প্রচুর সংগ্ৰামীর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে উদযাপন করা হয়। আট থেকে আশি সবাই এক উৎসবে সামিল হন এই দিনটিতে।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

Source link