Do cat need baths?: শীতে পোষ্য বিড়ালকে স্নান করাবেন ভাবছেন? এই বিষয়গুলি খেয়াল রাখতে ভুলবেন না

পোষ্যকে স্নান করানোর মজাই আলাদা। তবে শীতে তাকে স্নান করানো ঠিক কিনা এই নিয়ে অনেক অভিভাবকই চিন্তায় থাকেন। এর কারণ শীতে আদুরে প্রাণীটির ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। তবে স্নান না করালেও মুশকিল। সারাদিন সে খেলেধুলে বেড়ায়। কত ধুূলোবালি লেগে থাকে তার গায়ে। দীর্ঘদিন স্নান না করালে তা থেকে চর্মরোগও হতে পারে। তাই স্নান করানো উচিত কি উচিত নয়, তা নিয়ে রীতিমতো ধন্দ তৈরি হয় মনে। এই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত একটু আলাদা। চলুন জেনে নেওয়া যাক, পোষ্য বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন।

পোষ্যটি যদি বিড়াল হয়, তবে বিষয়টা কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এই পোষ্যটি নিজের পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে বেশ সচেতন। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, একটি বিড়াল নিজেকে পরিস্কার রাখতে দিনে গড়ে চার ঘন্টা সময় ব্যয় করে। তবে স্নান করে একবারে সাফসুতরো হতে পারলে সেই সময়টা বাঁচানো যায় বৈকি! পোষ্য চিকিৎসকদের কথায়, কোনও বিশেষ কারণ না থাকলে বিড়ালকে সাধারণত স্নান না করালেও চলে। কারণ ওরা নিজেরাই নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখতে জানে।

কখন স্নান করাবেন?

মূলত গায়ে ক্ষতিকর কোনও পদার্থ লেগে থাকলে তবেই ওকে স্নান করানো ভালো। অনেক সময় দেখা যায়, বিভিন্ন জায়গায় খেলাধুলো করতে করতে পোষ্য গায়ে ক্ষতিকর ময়লা লাগিয়ে বাড়ি ফিরেছে। এই ধরনের ময়লা এর ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। পাশাপাশি লোমও উঠে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তেমন কোনও পদার্থ নজরে পড়লে তা দ্রুত পরিস্কার করে ফেলাই ভালো। এতে কোনও রোগ বাসা বাঁধার সুযোগ পায় না।

এছাড়াও কখনও কখনও সে নিজে নিজের গায়ের সব ময়লা পরিস্কার করে উঠতে পারে না। স্বাভাবিকভাবে সে সময় অভিভাবকের সাহায্য পেলে পোষ্য খুশিই হবে। তবে সবসময় স্নান করেই যে সে ময়লা তুলতে হয়, তেমনটাও নয়। নরম তোয়ালে দিয়ে কিছুক্ষণ হালকাভাবে ঘষলেও সে ময়লা উঠে যায়। 

Read also  Preparations for Moon and Mars missions: চাঁদ কিংবা মঙ্গলগ্রহে যেতে চান? এই দ্বীপে চলছে প্রশিক্ষণ

কতদিন অন্তর স্নান করাবেন?

রোজ বাইরে খেলাধুলো করে ময়লা মেখে আসে পোষ্য।অনেকে মনে করেন, এই কারণে তাকে রোজই স্নান করানো ভালো। তবে পোষ্য চিকিৎসকদের কথায়, এমন কাজ যথেষ্ট বিপজ্জনক হতে পারে বিড়ালের বয়স ও গায়ের লোম দেখেই স্নানের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ঘন ঘন স্নান করালে এর ত্বকে জ্বালা হতে পারে। এমনকী লোমও উঠে যেতে পারে। তাই এই ব্যাপারে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শই মেনে চলা উচিত।

 

 

Source link