বন্দুক ঠেকিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছিল জমি! শান্তনুর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক স্থানীয় মানুষজন | নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের একের পর এক কীর্তি সামনে আসছে

গেস্ট হাউসের খোঁজ

নিয়োগ দুর্নীতিতে শান্তনু গ্রেফতার হতেই বলাগড়ে বিশাল একটি গেস্ট হাউসের খোঁজ সামনে আসে। একেবারে কয়েক বিঘা জমির উপর তৈরি ‘ইচ্ছা ডানা’ এই গেস্ট হাউস। যা কিনা একেবারে গঙ্গার ধারে তৈরি করা হয়। রিসর্টের ভেতরে রয়েছে সুইমিং পুল। এমনকি সেখানে গঙ্গায় নামার জন্যে ব্যক্তিগত সিঁড়িও রয়েছে বলে জানা যায়। পুরো বিলাসবহুল রিসর্টটি সিসিটিভিতে ঘেরা। অন্তত ৭ থেকে আটটি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে সেখানে। এমনকি গেস্ট হাউসটিকে ঘিরে রয়েছে অন্তত সাত ফুটেরও বেশি উঁচু পাঁচিল। ফলে ভিতরে কি হচ্ছে তা জানা কারোর পক্ষে সম্ভব ছিল না।

 মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে জমি ছিনিয়ে নেয় শান্তনু

মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে জমি ছিনিয়ে নেয় শান্তনু

আর সেই গেস্ট হাউসের একাংশের জমি জোর করে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় এক বাসিন্দা সাগর বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, শান্তনুর জন্যে আমাকে জেল খাটতে পর্যন্ত হয়েছে। আমি অন্য একজনকে এই জমি বিক্রি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে বিক্রি করতে না পারায় আমাকে ভিন রাজ্যে এক মাস জেলে খাটতে হয়েছে বলে দাবি ওই ব্যক্তির। শুধু তাই নয়, গঙ্গার কাছে থাকা ওই জমি নিতে শান্তনুর অনুগামীরা মাথায় বন্দুক পর্যন্ত ঠেকায় বলে দাবি তাঁর। এমনকি মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। আর সেই জমি ফিরে পেতে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সহায়!! সাংবাদিকদের মাধ্যমে এই বিষয়ে প্রশাসনিক প্রধানের কাছে আর্জিও জানিয়েছেন তিনি।

শান্তনুর স্ত্রীয়ের সঙ্গে কুন্তলের সংস্থা

শান্তনুর স্ত্রীয়ের সঙ্গে কুন্তলের সংস্থা

বলে রাখা প্রয়োজন, আজ শনিবার সকাল থেকে শান্তনুর একাধিক সম্পত্তিতে এই মুহূর্তে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকরা। নতুন করে বেশ কিছু সম্পত্তির খোঁজ পাওয়ার পরেই চলে এই তল্লাশি। একই সঙ্গে ইচ্ছা ডানা ওই গেস্ট হাউসেও তল্লাশি চালানো হয় এদিন। একেবারে তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে আরও এক তৃণমূল নেতা কুন্তলের সঙ্গে শান্তনুর স্ত্রীয়ের একটি সংস্থার খোঁজ পেয়েছেন আধিকারিকরা। সেই বিষয়েও খোঁজখবর নিতে শুরু করেছেন আধিকারিকরা। সেখানেও নিয়োগ দুর্নীতির টাকা ঢুকেছে বলে মনে করছেনব আধিকারিকরা।

Read also  ট্যাংরায় ভয়ঙ্কর আগুন! কী কারণে হঠাৎ পৌঁছল কেন্দ্রীয় উদ্ধারকারী দল?

Source link