কংগ্রেসে বাড়ছে আস্থা, যোগদান ফরওয়ার্ড ব্লকের ১১টি লোকাল কমিটির সদস্যের, Congress increases power to join members of Forward Block’s 11 local committees

ফরওয়ার্ড ব্লকের ১১ লোকল কমিটি কংগ্রেসে

অধীর চৌধুরী ফরওয়ার্ড ব্লকের কলকাতার ১১টি লোকাল কমিটির সদস্যদের দলে যোগদান করিয়ে বলেন, রাজ্যে প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পেতে শুরু করেছে কংগ্রেস। ফলে বহু মানুষ আসছেন কংগ্রেসের ছত্রছায়ায়। জাতীয়তাবাদী মানুষেরা বুঝতে পারছেন তৃণমূল বা বিজেপি কেউই বিকল্প নয়। একমাত্র বিকল্প কংগ্রেস।

ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যরাও কংগ্রেসে ঝুঁকে

ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যরাও কংগ্রেসে ঝুঁকে

তিনি বলেন, শুধু ফরওয়ার্ড ব্লকের ১১টি লোকাল কমিটির সদস্যরাই নন, বড়বাজার এলাকার বড় ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যরাও যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। এইভাবেই বাংলায় কংগ্রেস দলের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস বাড়ছে। ভবিষ্যতে আরও মানুষ আসবেন। এদিন প্রদেশ কংগ্রেস অফিসে সাংবাদক বৈঠক করে অধীর চৌধুরী দলের সংগঠনকে আরও মজবুত করার বার্তা দেন।

সাগর থেকে পাহাড় যাত্রায় কংগ্রেস

সাগর থেকে পাহাড় যাত্রায় কংগ্রেস

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, বুধবার থেকে প্রদেশ কমিটি ভারত জোড়ো যাত্রার অংশ হিসেবে সাগর থেকে পাহাড় যাত্রা শুরু করছে। রাহুল গান্ধী সম্প্রতি ভারত জোড়ো যাত্রায় কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত পরিক্রমা করছেন। আটটি রাজ্য পেরিয়ে তা দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছে। তারপর ফরে বাংলায় সেই ভারত জোড়ো যাত্রার অংশ হিসেবে সাগর থেকে পাহাড় পদযাত্রা শুরু হচ্ছে।

সাগর থেকে পাহাড়কে জুড়বে কংগ্রেস

সাগর থেকে পাহাড়কে জুড়বে কংগ্রেস

এই পদযাত্রায় প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির আশ্রম থেকে শুরু করে কার্শিয়াং পর্যন্ত হাঁটবেন। কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস ২৮ ডিসেম্বর গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির আশ্রম থেকে কার্শিয়াং পর্যন্ত যাত্রায় সূচনা হবে। সাগর থেকে পাহাড়কে জুড়বে ভারত জোড়ো যাত্রা।

৫৫ দিনের যাত্রায় কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ

৫৫ দিনের যাত্রায় কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ

এই পদযাত্রাটি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দার্জিলিং জেলার উপর দিয়ে যাবে। গঙ্গাসাগর থেকে কার্শিয়ং পর্যন্ত এই পদযাত্রায় মোট ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রা ৫৫ দিনে শেষ হবে।

ভারত জোড়ো যাত্রা এক আশার সঞ্চার

ভারত জোড়ো যাত্রা এক আশার সঞ্চার

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী এদিন এই যাত্রার সূচনা করে এক আশার সঞ্চার করেন। তাঁর বিশ্বাস এই পদযাত্রা কংগ্রেসকে আরও অনেকটা এগিয়ে দেবে। কংগ্রেস বাংলা তথা ভারতে কতটা এগোবে তা বলবে ভবিষ্যৎ। তিনি বলেন, আমরা রাজনীতি করি, তার কাজ ডিভিডেন্ড দেয়। যাত্রা শুরুর সময় কত বিদ্রুপ হয়েছিল, এখন সারা ভারতে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা পরিবর্তন হচ্ছে।

কংগ্রেস ঠিক ঘুরে দাড়াবে

কংগ্রেস ঠিক ঘুরে দাড়াবে

অধীরবাবু বলেন, রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রার সাফল্য নিয়েই প্রদেশেও আমরা সেই উদ্যোগ নিয়েছিল। ডিভিডেন্ড কী হবে পরবর্তী সময়ে জানা যাবে, নির্বাচনী ফল বলবে সেই কথা। আমার বিশ্বাস, কংগ্রেস ঠিক ঘুরে দাড়াবে। কংগ্রেসের এই যাত্রা ঘৃণা নয়, সকলকে ভালোবাসতে শেখায়। সংহতি ও সম্প্রীতির পাঠ দেবে।

অন্যদের কী আহ্বান, বার্তা অধীরের

অন্যদের কী আহ্বান, বার্তা অধীরের

অন্যদের কী আহ্বান করবেন ভারত জোড়ো যাত্রায়? এই প্রশ্নের জবাবে অধীর বলেন, রাহুল গান্ধী তৃণমুলকেও আহ্বান জানিয়েছিল। তারা মনে করেছে যোগ দেওয়া উচিত নয়। তবে প্রদেশের তরফে তৃণমুলকে আহ্বান করা হবে না। বাকিদের কাছে উদার্থ আহ্বান স্বৈরতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন জরুরি। যারা আসতে চাইবেন, তাঁদের আসতে বলব।

বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা অধীরের

বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা অধীরের

তিনি বলেন, আমরা বামেদের সঙ্গে নির্বাচনী জোট করেছি। কংগ্রেস সংকীর্ণতাকে কখনই প্রশ্রয় দেয় না। রাজ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে। চোরের পরিচয় চোরই। সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সবসময় কথা বলতে ভালোবাসেন, কিন্তু তিনি এখন কিছু বলছে না। চোর ধরা পড়ছে, উনি বিচলিত হচ্ছেন না। উনি কবিতা লিখছেন এপাং ওপাং।

বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছতা আনতে পারে

বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছতা আনতে পারে

আমরা চাই নিয়োগ স্বচ্ছ হোক। এ রাজ্যে কিছু স্বচ্ছ হয় না। একমাত্র বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছতা আনতে পারে। বিচার ব্যবস্থা পশ্চিমবঙ্গের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ করেছে বলে আমরা জানতে পারছি। তাই তারা হস্তক্ষেপ করলে স্বচ্ছতা আসতে পারে। তিনি বিজেপিকেও একহাত নেন। একহাত নেন প্রধানমন্ত্রীকেও।

প্রধানমন্ত্রীকেও নিশানা অধীরের

প্রধানমন্ত্রীকেও নিশানা অধীরের

অধীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী আসছেন বন্দে ভারত উদ্ধোধন করতে। আমি এর আগে দেখিনি একটা রেল উদ্ধোধনে প্রধানমন্ত্রীকে আসতে। গঙ্গা ভাঙনের বিষয়ে তাঁকে বলেছি একটা দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনা নিতে। কারণ, ভাঙনে একটার পর একটা জেলা তলিয়ে যাচ্ছে গঙ্গাবক্ষে। আমি রাজ্যের শাসকদলকে বলব, মোদীকে ম্যানেজ করার থেকে বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরুন।

অন্ন যোজনা বন্ধে কটাক্ষ

অন্ন যোজনা বন্ধে কটাক্ষ

এদিন অন্ন যোজনা বন্ধ নিয়ে মোদী সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, আমি সংসদে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কিন্তু উত্তর দেয়নি। বুঝেছিলাম বন্ধ হয়ে যাবে। সরকারের ভাঁড়ার শূন্য হচ্ছে। ভোট নেই তাই বন্ধ। ভোট এলে আবার দেবে। ভারত ক্ষুধার তালিকায় উঠছে, দেশ এবং দেশবাসীদের নিয়ে এই সরকারের কোনও ভাবনা নেই।

Read also  'অনেকেই কালীঘাটে গিয়ে প্রমাণ করে আসেন', মমতাকে শুভেন্দু'র প্রমাণ নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ দিলীপ , Dilip Ghosh reacts after Suvendu Adhikari touches Mamata's feet in assembly on Friday

Source link