শুক্রবার, এপ্রিল ৪, ২০২৫
প্রচ্ছদ্ধসংবাদসৌদির সাথে মিলিয়ে চাঁদপুরের ৫০ গ্রামে উদযাপন হচ্ছে ঈদুল ফিতর

সৌদির সাথে মিলিয়ে চাঁদপুরের ৫০ গ্রামে উদযাপন হচ্ছে ঈদুল ফিতর

spot_img
spot_img

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের ৫০টি গ্রামে আজ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। ঈদকে ঘিরে এসব গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এই অঞ্চলের সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা প্রায় ৯৫ বছর ধরে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছেন।

রোববার (৩০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফের মাজার ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতের ইমামতি করেন পীর মাওলানা জাকারিয়া আল মাদানী। এছাড়া সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা মাদ্রাসা ময়দানে আরেকটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইমামতি করেন সাদ্রা দরবার শরীফের আরেক পীর মো. আরিফ চৌধুরী।

মো. আরিফ চৌধুরী বলেন, ‘প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আমরা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখি এবং ঈদ উদযাপন করি। শনিবার চাঁদ দেখা যাওয়ায় আমরা আজ ঈদ উদযাপন করছি। এছাড়া বিভিন্ন এলাকাতেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

সাদ্রা ছাড়াও একদিন আগে ঈদ উদযাপন করা গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল, শ্রীপুর, মনিহার, বড়কুল, অলীপুর, বেলচোঁ, রাজারগাঁও, জাকনি, কালচোঁ, মেনাপুর, ফরিদগঞ্জ উপজেলার শাচনমেঘ, খিলা, উভারামপুর, পাইকপাড়া, বিঘা, উটতলী, বালিথুবা, শোল্লা, রূপসা, বাসারা, গোয়ালভাওর, কড়ইতলী, নয়ারহাট, মতলবের মহনপুর, এখলাসপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ আরও বেশ কিছু গ্রাম।

এছাড়া চাঁদপুরের পাশের নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা ও শরীয়তপুর জেলার কয়েকটি স্থানে মাওলানা ইসহাক খানের অনুসারীরাও একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন।

জানা গেছে, ১৯২৮ সালে হাজীগঞ্জ রামচন্দ্রপুর মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের উদ্যোগ নেন। কিন্তু স্থানীয়দের অসহযোগিতার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। সরকারি নিয়মের বাইরে গিয়ে একদিন আগে ঈদ পালনের উদ্যোগ নেওয়ায় অধ্যক্ষের পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর তিনি নিজ গ্রাম সাদ্রায় ফিরে দরবার শরীফ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে তার অনুসারীদের মধ্যে প্রথা হিসেবে গড়ে ওঠে।

আরো পড়ুন
- বিজ্ঞাপন -

সর্বাধিক পাঠিত